পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১১

বেলা অবেলা 1.02

বেলা অবেলা
শব্দের খেলা
ভাবনা জুড়ে
শব্দের মেলা।

বেলা অবেলায়
সূরের খেলায়
গাই গান
হেড়ে গলায়।

বেলা অবেলা
রংয়ের খেলা
রাঙ্গীয়ে দিয়ে
পথ চলা।

বেলা অবেলা
স্বপ্নের খেলা
ভাসিয়ে দিয়ে
মেঘের ভেলা।

বেলা অবেলা
মিষ্টি জ্বালা
উজাড় করে
গল্প বলা।

বেলা অবেলা
দারুণ অবহেলা
তোমায় নিয়েই
কথার মালা।

বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১১

বেলা অবেলা

বেলা অবেলা
স্বপ্নের খেলা
ভাসিয়ে দিয়ে
মেঘের ভেলা।

বেলা অবেলা
শব্দের খেলা
ভাবনা জুড়ে
শব্দের মেলা।

বেলা অবেলায়
সূরের খেলায়
গাই গান
হেড়ে গলায়।

বেলা অবেলা
মিষ্টি জ্বালা
উজাড় করে
গল্প বলা।

বেলা অবেলা
রংয়ের  খেলা
রাঙ্গীয়ে দিয়ে
পথ চলা।

সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১১

শব্দের মুক্তি


বৃদ্ধ বললো
           যে শব্দগুলো থেকে
           তোমাদের কে ওরা
           করেছে বঞ্চিত,
           তুমি কি জানো
           সেই শব্দদের
           ইতিহাস কিংবা অর্থ ?

আমি বললাম
           যার উপর নাই অধিকার
           তার অর্থ-ইতিহাস জানার
           কিবা দরকার?

বৃদ্ধ বললো এবার
            শব্দগুলোর উপর অধিকার
            আছে সবার।
            একদিন হয়তো বুঝবে
            তখন ঠিকই তুমি
            শব্দদের খুজবে,
            ইতিহাসের সেই প্রচীনপথে
            খুজবে আবার,
            যেমন করে খুজেছে তারা
            ইতিহাসে বারবার।


 "জয় বাংলা" এটা কারো ব্যাক্তিগত সম্পত্তি নয়।কোন দলেরও না। যারা মুক্তিযোদ্ধা তারা জানে এই শব্দদের শক্তি।
 যারা রাজাকার তারাও জানে এই শব্দগুলো কেমন উন্মাদনা জাগায়। তাই তাদের এই শব্দগুলোতে বড় ভয়।
 আর শব্দগুলো যখন জাতীয় থেকে হয়েছে ব্যাক্তির সম্পত্তি, তখন হারিয়েছে তার পুরনো সে শক্তি।
 ব্যাক্তির দখল মুক্ত হোক। আবার রূপান্তর হোক জাতীয় শক্তি। এই প্রত্যাশায় --- এক মৌসুমী দেশপ্রেমিক

রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১১

-----

কথায় কথায়
খুজিস যুক্তি,
যুক্তিতে কি
মিলবে মুক্তি??

ওরে পাগল
মুক্তি হলো
বিস্বাস,
র্নিমল,শীতল
নিরন্তর নিঃশ্বাস

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১১

আজব দেশ




আজও আসমানীদের ভাতের থালা থাকছে শূন্য,
আজ সুশীলরা করেছে নারীদের পন্য,
মানবতা থাকে শুধু বইয়ের পাতায়,
তবে কিসের পাপ, কিসের পূন্য।

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১১

আমার দেশপ্রেম

শুধু এই ডিসেম্বরেই নয়
আমার মাঝে দেশপ্রেম
আগেও ছিল
হয়তো এখনও আছে।

তবে তাঁদের মত নয়
যার দেশটার জন্য
মানুষের মুক্তির জন্য
দিয়েছে বা দিতে পারতো প্রান।
আমি হয়তো কখনোই
তাঁদের মত হতে চাইনি।
বুঝে নাবুঝে আমরাই তো
তাদের করেছি কলংকীনি।

নিজেক পুড়িয়ে আলো দিতে
এখন আর সূর্যপুরুষের জন্ম হয় না।
কারন সূর্যপুরুষের জন্মই হতো
অন্য সূর্যের আলোয়,
আমরাই তো সূর্যদের ঢেকেছি
বিকৃতির চাদর কালোয়।

আমার দেশপ্রেম ছিল বা আছে
তিন বেলা বেচে থাকায়
আর এক বেলা ঘুমিয়ে থাকায়।

শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১১

আমার আমি

মাঝে মাঝেই তোর উড়োচিঠি আসে,
সময়ে অবান্তর কিছু প্রশ্ন নিয়ে,
তখন দিনগুলো কাটে
সম্বাব্য সব উত্তরে উত্তরে।
আবারো আসে প্রশ্ন,
আবারো খুজি উত্তর,
চক্রে বন্ধি আমি
করি স্মৃতি রোমন্থর।

-------------------------------------------------------------------------


করবো জোনাকীর সব আলো চুরি,
আধাঁরে পথ দেখাতে তোমায়।
মিথ্যেও না হয় বলো একবার
ভালবাসো আমায়।

--------------------------------------------------------------------------

সময়ের সাথে সাথে
একে একে খসে পড়েছে
ইঠ, পাথর, সিমেন্ট আর বালি।
জীর্ন এই মন্দিরে তবু
চীর উজ্জল এক দেবী।

রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১১

যন্ত্রনা

মাশার উৎপাত,
টাইগারা কপোকাত,
তেলাপোকার ভয়,
সাকিবের অভিনয়,
ইভা রহমানের গান,
নেতাদের দেওয়া সম্মান,
তেলের নতুন দাম,
শহর জুড়ে যাম,
হাসিনার কথা,
দুই আবুলের মাথা,
টিপাইমুখে বাঁধ,
মেঘে ডাকা চাঁদ,
জেকে বসা শীত,
হৃদয় খানের গীত,
আশরাফুলের ব্যাটিং,
শেয়ার মার্কেটের চিটিং,
টয়লেট কমন,
ভাঙ্গা রাস্তায় ভ্রমন,
বাংলা ছায়াছবি,
তোর আকাশ কুসুম দাবী,
মধ্য রাতের আলোচনা,
এ সবই অসহ্য যন্ত্রনা।

শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১১

বসন্ত বাতাসে সইগো

বসন্ত বাতাসে সইগো
বসন্ত বাতাসে
বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ
আমার বাড়ি আসে
বন্ধুর বাড়ির ফুলবাগানে
নানান রঙের ফুল
ফুলের গন্ধে মন আনন্দে
ভ্রমর হয় আকুল
বন্ধুর বাড়ির ফুলের বন
বাড়ির পূর্বধারে
সেথায় বসে বাজায় বাঁশী
মন নিল তার সুরে
মন নিল তার বাঁশীর তানে
রূপে নিল আঁখী
তাইতো পাগল আব্দুল করিম
আশায় চেয়ে থাকে

শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১১

শীত

কন কন
ঠন ঠন
শীতের আয়োজন।

ঘন ঘন
কুয়াশা
দৃষ্টিতে ধোঁয়াশা।

ঝর ঝর
ঝরে যায়
সবুজ পাতা খোয়া যায়।

উম উম
ঘুম ঘুম
শীতের মৌসুম।










বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১১

বড় প্রয়োজন

এখন প্রতি রাত্রিতে
চোরাপথ ধরে
জানান দিচ্ছে শীত
তার আগমন।
গুল্ম লতার মত
জড়িয়ে থাকা
কোন মানবীর উষ্ণতার
আজ বড় প্রয়োজন

সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১১

খুব জানতে ইচ্ছ করে

এখন আমাকে কি তোর
অস্পৃশ্য মনে হয়?
কোথায় আছি, কেমন আছি
কখন জানতে কি ইচ্ছে হয়?

এইতো সেদিনও
তোর কণ্টকাকীর্ণ পথে
নিজেকে কাঁটায় বিদ্ধ করেছি,
পিচ্চিল পথে
তোকে আকড়ে রেখেছি,
নোংরা পথে
গায়ে নোংরা মেখেছি,
স্পর্শের আড়লে রেখে
তোকে বয়ে বেড়িয়েছি।
এতটা পথে,
কখন নতুন কোন বাকে
তোকে করিনি আস্বীকার।

ঠিকানায় ফিরেই কেন তবে
তীব্র তাচ্ছিল্যে
আমাকে ছুড়ে ফেলা?
আমায় কি তবে
পাদুকা ভেবেই
ছিল তোর পথ চলা?

মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১১

বড় ভাবের ছোট অসুখ

গত ১৪ই সেপ্টেম্বর ছিল আমার জন্মদিন। প্রতি বছর ঠিক এই সময় বিভিন্ন অসুখ আমার সাথে দেখা করতে আসে X(। এইবার যিনি দেখা করতে আসছেন উনার নাম bell's palsy .




১৩ই সেপ্টেম্বর ঘুম থেকে উঠে দেখি মুখের ডান দিকটা আমি নিয়ন্ত্রন করতে পারছি না :|| । ডান চোখের পিছনে ব্যাথা করতেছে। চোখ বন্ধ করতে চাইলে শুধু বাম চোখ বন্ধ হচ্ছে, ডান চোখ বন্ধ হচ্ছে না। মুখে পনি আটকে রাখতে পারছি না।কিন্তু মুখের ডানদিকের অনুভতি ঠিকই
আছে।ভাবলাম ঠিক হয়ে যাবে। দিলাম আবার ঘুম। উঠে দেখি অসুখ আরো বেড়েছে। আলোয় ডান চোখের ব্যাথা আরো বাড়ে, মাথার ডান দিকে খুব ব্যাথা করতেছে।মাথা ব্যাথার ঔষধ খেলাম। ব্যাথা একটু কমলো। পরের দিন ব্যাথা আরো বাড়লো।সার দিন ঘুমিয়ে কাটালাম। আম্মা ব্যাপারটা
বুঝে গেলেন। তারপর তার চেঁচামেচি সহ্য করতে না পেরে ডাক্তারের কাছে গেলাম :-0 । আম্মা ভীষন ভয় পাইছিলেন,ভাবছিলে কিনা কি হইছে। আমার অতীত খুব ভাল তো তাই। আমিও ভাবছিলাম ঘুমের মাঝে ষ্টোক ফ্টোক করলাম না তো?চলে যাওয়ার সময় হলো নাকি?কিন্তু শয়তান তো
এতো সহজে মরে না।খারাপ মানুষের আয়ু অনেক লম্বা হয়।আমার তো এখন যাবার কথা না!!! :| :|| /:)
ডাক্তার ব্যাটা আমারে দেখে কয় কোন ব্যাপার না ঠিক হয়ে যাবেন। কোন টেষ্টও করতে দিলো না। সন্দেহ হলো ডাক্তারের হয়তো মাথা ঠিক নাই। যাহোক উনি ৩টা ঔষধ দিলেন।চোখে দেওয়ার জন্য একটা ড্রপ দিলেন।আর বললেন থেরাপি দিতে।থেরাপি দিতে যেখানে
গেলাম সেখানের দিদিও দেখি আমার অসুখটারে বলে এটা কিছুই না।বলে ১৫/২০ দিনে আমি ঠিক হয়ে যবো। কয়েকটা ব্যায়াম শিখিয়ে দিল, সব সময় এই ব্যায়াম গুলি করতে বললো।বাসায় আসার পথে প্রেসক্রিপশন হারইলাম।আম্মা তো বিশ্বাস করতে চায় না, ভাবে নিশ্চয় বড় কোন আসুখ,
তাই প্রেসক্রিপশন ইচ্ছা করে ফেলে এসেছি।আমিও ভাব লইলাম।আলাদা খাতির যত্ন পাইতে কার না ভাল লাগে।আর মা তো মা'ই,টেনশন তো সে করবেই।বাসায় ব্যায়াম করা শুরু করলাম,গাল ঘসতে ঘসতে চামড়া
তুলে ফেলার অবস্থা। আর নেটে শুরু করলাম ব্যাল্স পালসি নিয়া ঘাটা ঘাটি। দেখি হায় হায় আমি একা না অনেকের এই রোগ আছে। অনেকে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে গেছে,অনেকের আবার অনেক দিন গেছে সুস্থ হতে। তাই নতুন উদ্দমে ব্যায়াম নিয়ে ঝাপিয়ে পড়লাম। আজ প্রায় ১ মাস হতে চললো,আমি এখন অনেকটা সুস্থ।


আপনারও যদি এমন হয় যে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন মুখের একপাশ কাজ করছে না তবে ভয় পাবেন না। এটা বড় রোগের শুধু ভাব লয়, বড় কোন রোগ না। স্টোরয়েড ঔষধ আর ব্যায়াম ঠিক মতো করলে খুব তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে যাবেন। অসুস্থ অবস্থায় বেশী করে নিজের ছবি তুলবেন। অনেক মজার ছবি পাবেন। আর এই রোগটা যার একবার হয় তার আবার হওয়ার সম্বাবনা থাকে।

উনাদেরও এই অসুখ হইছিল,তার এখন সম্পূর্ন সুস্থ।
আলোর সমস্যাটা এখনো আছে তাই ব্লগে অনেকের লেখা এখন পড়া হয় না, আগের মত মন্তব্যও করা হয় না। আমার জন্য দোয়া করবেন। ভাল থাকুন সবাই।

মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১১

কেন

আমার চাঁদটা কেন
মেঘের আড়াল থেকে বৃষ্টি ঝরায়?
আমার সময় কেন
রাত্রিতেই থমকে দাড়ায়?
তোর সৃত্মিরা কেন
ঘুমের দেশে স্বপ্নের সাথে ঘুরে বেড়ায়?
আমার আপনেরা কেন
প্রিয়দের মাঝে রেখে দূরে হারায়?
আর কষ্ট কিনতে কেন
পকেট ভর্তি সব সুখ ফুরায়?
আমার চাঁদটা কেনমেঘের আড়াল থেকে বৃষ্টি ঝরায়?

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১১

নরক

এবারও পুলসিরাতটা পার হওয়া গেল না
ফিরতেই হলো নরকেই আবার।

এখানে দিনের শুরুতে
বাবার অগ্নিদৃষ্টি আমাকে পোড়ায়,
এখানে মোড়ের দোকানী
কথার চাবুক চালায়,
আর ডাইনীটা শুধু হেসে যায়
আমার অক্ষমতায়,
নরকে প্রতিদিন মরেও
আমাকে বেচে থাকতে হয়।

এবার বদলে যাব
নরকের বাসিন্দা আমি,
নরকের আর কিসের ভয়,
নরকে পাপই কি পূন্য নয়?

শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০১১

আইলায় না বন্ধু- শাহ আব্দুল করিম

আইলায় না, আইলায় নারে
বন্ধু করলায়রে দিওয়ানা
সূখ বশন্ত সূখের কালে
শান্তিতো দিলায় নারে
বন্ধু আইলায় নারে।

অতি সাধের পিরিতরে বন্ধু
নাইরে যার তুলনা
দারুন বিচ্ছেদের জালা
আমি আগেতো জানি নাইরে
বন্ধু আইলায় নারে।

গলে মোর কলংকের মালা
কেউ ভালবাসে না
কূল মান দিয়া কি করিব আমি
তোমায় যদি পাই নারে
বন্ধু আইলায় নারে।

আব্দুল করিম কূল মান হারা
তুমি কি জানো না
সুসময়ে সুজন বন্ধু
দেখাতো দিলায় নারে
বন্ধু আইলায় নারে।


শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১১

অ্যাশট্রে ও আমি

রাতের সাথে পাল্লা দিয়ে
ভরতে থাকে অ্যাশট্রে,
কিছু আমি পোড়াই,
কিছু আমাকে পোড়ায়।

রাত শেষে নতুন অ্যাশট্রের খোজ
আরও বড় অ্যাশট্রে চাই,
নতুন অ্যাশট্রে,
সময়ের সাথে এর ধারণ ক্ষমতা কমে যায়,
আবর নতুন অ্যাশট্রের খোজ।

আমি জ্বালাতে থাকি,জ্বলতে থাকি,
ছাইয়ের স্তুপ জমা হয়,
হয়তবা ছাই হতে থাকি।
অ্যাশট্রে মাঝে নিজেকে খোজে পাই,
হয়ত অ্যাশট্রেতে হরিয়ে যাই।

http://www.somewhereinblog.net/blog/kamrulonly1/29342166 

রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

কলের গাড়ী - শাহ আব্দুল করিম

তোমার ইচ্ছায় চলে গাড়ী
দোষ কেন পড়ে আমার,
আমি তোমার কলের গাড়ী
তুমি হও ড্রাইভার।

চলে গাড়ী হাওয়ার-ই ভরে
আজব কল গড়ীর ভিতরে
নিচ দিকেতে চাকা ঘুরে
সামনে বাতি জ্বলে তার।

আমি তোমার কলের গাড়ী
তুমি হও ড্রাইভার।

রত্ন মানিক বোঝাই করা
প্রহরী সব দেয় পাহারা
বাদী ছয় জন আছে খাড়া
সুযোগে করে সংহার।

আমি তোমার কলের গাড়ী
তুমি হও ড্রাইভার।

কলের গাড়ী কুদরতে চলে
চলেনা পেট্রল ফুরাইল
বাউল আবদুল করিম বলে
কুদরতের শান বুঝা ভার।

আমি তোমার কলের গাড়ী
তুমি হও ড্রাইভার।

বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

দিনলিপি

অন্তহীন এই সময়ে
র্নিঘুম রাত আর
সারাটা সকাল নিথর পড়ে থাকা।

সন্ধ্যায় প্রিয় মানুষের
প্রিয় কিছুর আহবান,
আর নিজেকে ভুলার চেষ্টা।

অবেলায় ঘরে ফিরা
আপন মানুষের বিলাপ,
আর রাত জেগে সৃত্মির জাবর কাটা।

এইতো আমি
তোমার উজ্জল চঞ্চল আমি,
আর কেমন আছো তুমি?